৬৭ মিনিট পর্যন্ত পিছিয়ে থাকা গণতান্ত্রিক কঙ্গো ঘুরে দাঁড়িয়ে আরও তিন গোল দিয়েছে উজবেকিস্তানের জালে। ৩-১ ব্যবধানের বড় জয় তাদের প্রথমবার নকআউটে পৌঁছে দিয়েছে। ৫২ বছর আগে প্রথমবার বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল কঙ্গো। লম্বা সময় পর ফিরে দ্বিতীয় আসরেই তারা বাজিমাত করল।
আটালান্টার মার্সিডিজ বেঞ্জ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচটিতে পজেশন ও আক্রমণ সবদিক থেকেই এগিয়ে কঙ্গো। তবে নিজেরা প্রথম গোল হজম করে বসে ১০ মিনিটের মাথায়। উজবেকিস্তান এল্ডর সমুরোদোভের সেই গোলের লিড অবশ্য ৬৭ মিনিট পর্যন্ত ধরে রাখে। একইসঙ্গে আটকে রাখে আক্রমণের পর আক্রমণ চালানো কঙ্গোকে।
ম্যাচের ৬৮ মিনিটে আফ্রিকান দেশটির পেনাল্টির সুবাদে সমতায় ফেরার সুযোগ পায়। ভুলটা ছিল আবদুকোদির খুসানোভের, তিনি ক্রসে পা বাড়াতে গিয়ে তিনি ইয়োয়ানে উইসার পায়ে আঘাত করেন। এরপর স্পটকিকে গোল করতে ভুল করেননি ইওয়ান উইসা। সমতায় ফেরার উল্লাসে মাতে গণতান্ত্রিক কঙ্গো।
এর মিনিট দশেকের মাথায় লিড নেয় তারা। ফিস্তন মায়েলের সেই গোলটিই শেষ নয়। এরপর আক্রমণের ধারা অব্যাহত রেখে ব্যবধান আরও বাড়ানোর পালা। যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে উইসা নিজের দ্বিতীয় ও দলের তৃতীয় গোলে বড় জয় নিশ্চিত করেন।
এর আগে ১৯৭৪ বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম আসর খেলেছিল কঙ্গো। যেখানে তারা তিনটি ম্যাচের সবকটিই হারে, এর মধ্যে ছিল যুগোস্লাভিয়ার বিপক্ষে ৯-০ গোলে বিধ্বস্ত হওয়ার নজির। এবার নিজেদের প্রথম ম্যাচে পর্তুগালকে ১-১ গোলে রুখে দেওয়ার পর তারা ভিন্ন ইতিহাস লেখার ইঙ্গিত দেয়। এরপর কলম্বিয়ার বিপক্ষে হারের ব্যবধানটাও (১-০) বড় হতে দেয়নি। আর আজ তৃতীয় ও শেষ গ্রুপ ম্যাচে এলো ৩-১ গোলের জয়।
খুলনা গেজেট/এনএম

